মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৯ মে ২০১৭

জেলা পর্যায়ে আইটি/হাই-টেক পার্ক স্থাপন (১২টি জেলায়)

প্রকল্পের তথ্য 

 

১।

বিভাগের নাম

:

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ

২।

বাস্তবায়নকারী সংস্থা

:

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ

৩।

প্রকল্পের নাম

:

জেলা পর্যায়ে আইটি/হাই-টেক পার্ক স্থাপন (১২টি জেলায়)

৪।

বাস্তবায়নকাল  

:

জুলাই ২০১৭ খ্রি: - জুন ২০২০ খ্রি:

৫।

প্রকল্প এলাকা

:

ময়মনসিংহ সদর, জামালপুর সদর, ঢাকার কেরানীগঞ্জ, গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ, চট্টগ্রামের বন্দর, কক্সবাজারের রামু, রংপর সদর, নাটোরের সিংড়া, সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ, বরিশাল সদর এবং খুলনার কুয়েট

৬।

প্রাক্কলিত ব্যয় (লক্ষ টাকায়)

:

১৭৯৬.৪০ কোটি টাকা

৭।

অর্থের উৎস

:

GOB

২৫২.৪০ কোটি টাকা

PA

১৫৪৪.০০ কোটি টাকা (ভারতীয় ২য় লাইন অব ক্রেডিট এর অর্থায়ন)

৮।

অনুমোদনের তারিখ

:

প্রকল্পটি ২৫ এপ্রিল, ২০১৭ তারিখে একনেক সভায় অনুমোদিত হয়েছে

৯।

প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য

:

আইটি পার্কের অবকাঠামো স্থাপন

:

মানব সম্পদ উন্নয়ন

:

বাংলাদেশের আইটি/ আইটিইএস  শিল্পের  বিকাশ ও উন্নয়নের জন্য স্থানীয় ও বৈদেশিক কোম্পানিকে আকৃষ্টকরণ

:

আইটি আইটিইএস/বিজনেস প্রোসেস আউটসোর্সিং (বিপিও) হাব তৈরি

:

কর্মসংস্থান সৃষ্টি

১০।

(ক) প্রকল্পের আওতায় গৃহীতব্য কার্যাবলী/প্রধান প্রধান অঙ্গের বিবরণ

:

নির্মাণাধীন প্রতিটি ভবনের মোট ফ্লোর

(১) ১২ জেলায় ৭ তলা (প্রতিফ্লোর ১৫০০০ বর্গফুট)  মাল্টিটেনেন্ট ভবন নির্মাণ (স্টিল স্ট্রাকচার)।

 (প্রতিটি পার্কে মোট ১ লক্ষ ৫ হাজার বর্গফুটের এমটিবি ভবন);

 

(২) ১২ জেলায় ৩ তলা (প্রতিফ্লোর ৭,০০০ বর্গফুট) ক্যান্টিন ও এমফিথিয়েটার ভবন নির্মাণ (স্টিল স্ট্রাকচার)।     (প্রতিটি পার্কে মোট  ২১ হাজার বর্গফুটের ক্যান্টিন ও এমফিথিয়েটার ভবন  );

 

(৩) ৮ জেলায় ৩ তলা (প্রতিফ্লোর ৬,০০০ বর্গফুট)  ডরমিটরি ভবন নির্মাণ (আরসিসি)। (প্রতিটি পার্কে মোট ১৮ হাজার বর্গফুটের ডরমিটরি ভবন);

    

(৪) ১২ টি পার্কে ইলেকট্রো-ম্যাকানিক্যাল কাজ:    

(পাওয়ার ট্রান্সফরমার, ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমার, ৩৩ কেভিএ লাইন, ৩০০ কেভিএ জেনারেটর, ফাইবার অপট্যিক কানেকশন, সিকিউরিটি সিস্টেম, নেটওয়ার্কিং সিস্টেম, ডিজিটাল ভিডিও কনফারেন্সিং সিস্টেম ও স্মার্ট বিল্ডিং ব্যবস্থাপনা সিস্টেম ইত্যাদি ক্রয়; )

:

প্রতি ফ্লোরের আয়তন

:

প্রশিক্ষণ কার্যক্রম যদি থাকে তবে মোট ব্যাচ, প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা, ইত্যাদি

ক) আইটি/আইটিইএস বিষয়ে প্রশিক্ষণ; মোট ৩০ হাজার    

(গ্রাফিক্স ডিজাইন, এনড্রয়েড মোবাইল অপারেশন, জাভা এস ই-৮ প্রোগ্রামিং, ওয়েব এপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, নেটওয়ার্ক এন্ড সার্ভার এডমিনিস্টেশন, কোর হার্ডওয়ার্ক এন্ড অপারেটিং সিস্টেম), বিপিও, ই-কমার্স, এস কিউ

 

 

এল এডমিনিস্টেশন, ওরাকল ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে)।

 

খ) আইসিটি খাতে সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীদের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ; মোট ১২০ জন

:

অন্যান্য অঙ্গ

ক) বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন; (০৯ টি)

১১।

প্রকল্পের আওতায় কতজন লোকের কর্মসংস্থান হবে।

:

প্র্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৬০ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে

১২।

হালনাগাদ বিস্তারিত অগ্রগতি

 

:

প্রকল্পটি ২৫ এপ্রিল, ২০১৭ তারিখে একনেক সভায় অনুমোদিত হয়েছে। প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও উপ-প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

           

 

 

 

 

দেশে ১২টি আইটি পার্ক করা হচ্ছে

 

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, একুশ শতকের চাহিদা মেটাতে দেশে ১২টি আইটি পার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। যার মধ্যে যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক নির্মাণের কাজ সমাপ্তির পথে। এ পার্ক সংলগ্ন স্থানে গড়ে তোলা হয়েছে কন্টেইনার ভিত্তিক ডিজাস্টর রিকভারি সেন্টার যা এশিয়ায় প্রথম।

যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়ার টেকনোলজি পার্ক কনফারেন্স রুমে মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেয়া ছেলে মেয়েদের তিনি সনদ বিতরণ করেন।


তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, আইটি বিভাগে দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তোলার লক্ষে আগামী তিন বছরের মধ্যে এক লাখ ব্যক্তিকে বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব শ্যাম সুন্দর শিকদার, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুস সাত্তার, শেখ হাসিনা সফটওয়ার হাইটেক পার্কেও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) হোসনে আরা বেগম, বাংলাদেশ কম্পিউটর কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক এস এম আশরাফুল ইসলাম, বাংলাদেশ সফটওয়ার এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামীম আহমেদ ও যশোর প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন।


যশোর শেখ হাসিনা সফটওয়ার টেকনোলজি পার্কে ১২টি প্রতিষ্ঠানকে জায়গা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এরা হলো, সফটওয়ার সপ লিমিটেড, অগ্নি সিস্টেমস লিমিটেড, ওয়েব হাকস আইটি লিমিটেড, এডভান্স সফটওয়ার ডেভলপমেন্ট, এ্যাপসিস, এমএস সাজ টেলিকম এন্ড ফ্যাশন, ওয়াটার স্পিড, ইজেনারেশন লিমিটেড, আমরা হোল্ডিংস লিমিটেড, ডব্লউথ্রি ইঞ্জিনিয়ারস লিমিটেড এবং জাপানের ডেসটিনি। এখানে মোট ৩৮হাজার বর্গফুট জায়গা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এই পার্কে ১৬ হাজার তরুণ তরুণীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে জানানো হয়েছে।


Share with :
Facebook Facebook