- - Bangladesh Hi-Tech Park Authority-
Wellcome to National Portal
Text size A A A
Color C C C C
Last updated: 29th September 2022

Gallery

 

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও জাপানের লিংক স্টাফ কোম্পানি লিমিটেড এর উদ্যোগে পরিচালিত প্রশিক্ষনের মাধ্যমে জাপানে চাকুরীপ্রাপ্তদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

 

মহামান্য ব্রিটিশ হাই-কমিশনার “রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন” সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক, সিলেট” পরিদর্শন করেন। এসময় বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (গ্রেড-১) ও “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক, সিলেট” এর প্রকল্প পরিচালকসহ আরো অনেকে  উপস্থিত ছিলেন।

 

 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সিং মাধ্যমে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত ''শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর" এবং "শেখ জামাল ডরমেটরি ও রোজী জামাল ডরমেটরি'' এর শুভ উদ্বোধন করেন।

 

 

 

   
BHTC, Kaliakoir visit by Mosammat Nasima Begum, Member (Secretary), Planning Commission   
   

 

 

 

মানিকগঞ্জের ঘিওরে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এসময় মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এ. এম. নাঈমুর রহমান দুর্জয়, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (গ্রেড-১) মহোদয়সহ আরো অনেকে  উপস্থিত ছিলেন।

 

ঢাকার কেরানীগঞ্জে হাইটেক পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এ সময় ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

 

মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ঐতিহাসিক ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ‘Let the Music Speak‘ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্টের

 

   
   
Factory visit of Oppo and Symphony, Bangabandhu Hi-Tech City, Gazipur
Date : 23 April, 2022
 

 

 

ঢাকার কেরানীগঞ্জে ‘আইটি/হাই-টেক পার্ক’ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এবং আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এসময় মান্যবর ভারতীয় হাই-কমিশনার শ্রী বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, আমরা অত্যন্ত আনন্দিত একারণে যে আজ কেরানীগঞ্জে ‘আইটি/হাই-টেক পার্ক’ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হচ্ছে। এর মাধ্যমে আইটি ইন্ডাস্ট্রিতেও এখন কেরানীগঞ্জবাসীর অবদান রাখার ক্ষেত্র প্রস্তুত হলো। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণার সময় অনেকেই বিদ্রুপ করেছে। অথচ এখন এই ডিজিটাল বাংলাদেশ কোনো স্বপ্ন নয়, বাস্তবতা। মুজিব বর্ষে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের শতভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দিয়েছি। কেরানীগঞ্জে হাই-টেক পার্ক স্থাপন সম্পন্ন হলে এই এলাকার ছেলেরা গতানুগতিক ব্যবসা-বাণিজ্যর বদলে অনলাইনে কাজ করে ডলার উপার্জন করতে পারবে যা এই দেশের আর্থ-সামাজিক পরিবেশের ব্যাপক পরিবর্তন আনবে।

 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক, সিলেট-এ ইলেক্ট্রনিক্স পন্য উৎপাদন করবে র‌্যাংগস ইলেক্ট্রনিক্স লিমিটেড। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক, সিলেটে ভূমি বরাদ্দের লক্ষ্যে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এবং র‌্যাংগস ইলেক্ট্রনিক্স লিমিটেড এর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি, রবিবার বেলা ১২টায় রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) জনাব হোসনে আরা বেগম এনডিসি এবং র‌্যাংগস ইলেক্ট্রনিক্স লিমিটেড এর পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক জে. একরাম হোসেন উক্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জনাব জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি। চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ র‌্যাংগস ইলেক্ট্রনিক লিমিটেডকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক, সিলেট-এ ৩২ একর জমি বরাদ্দ প্রদান করলো। তারা এই পার্কে ৮০ মিলিয়ন মার্কিন বিনিয়োগ করবে। এছাড়াও বিনিয়োগে নীতিগত সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি যৌথভাবে কাজ করবে।

 

আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের হাই-টেক পার্কগুলোতে বিনিয়োগসহ আইসিটি খাতে যৌথভাবে কাজ করবে ভারত। ২৪ নভেম্বর ২০২০ বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সভাকক্ষে মান্যবর ভারতীয় হাই-কমিশনার শ্রী বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী এর সাথে এক মতবিনিময় সভায় আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক একথা বলেন। ভারতীয় হাই-কমিশনার দুই দেশের অত্যন্ত উন্নত সম্পর্ক আরো দৃঢ়করণ  এবং আইসিটি সেক্টরসহ অন্যান্য খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারীত্ব বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি অদূর ভবিষ্যতে  বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরো জোরদার হবে বলে  আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এর আগে আজ সকালে রাজধানীর আগারগাঁওস্থ  আইসিটি টাওয়ারে পৌঁছালে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি মান্যবর ভারতীয় হাই-কমিশনারকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

 

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) পোর্টালে নতুন নতুন সেবা যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের সাথে সমঝোতা করেছে। রবিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২০ খ্রি. সকালে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে এক অনাড়ম্বর সভার মাধ্যমে এই সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম এনডিসি এবং আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের পক্ষে প্রধান নিয়ন্ত্রক, জনাব প্রাণেশ রঞ্জন সূত্রধর সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

 

রংপুরের পীরগঞ্জে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন মাননীয় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি। বৃহস্পতিবার  বেলা ১২টায় ঢাকা থেকে অনলাইনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে তিনি ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচন করেন। আইটি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে দেশের আটটি স্থানে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করছে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ। এরই অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর, নাটোর, কুমিল্লা, নেত্রকোণা, বরিশাল ও মাগুরায় স্থাপন করা হচ্ছে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার। বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৫৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের কাজ ২০১৭ সালে শুরু হয়।  

 

বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি, কালিয়াকৈরে ওয়ালটনকে ০৩ একর জমি বরাদ্দ দিয়েছে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ। একই সাথে ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে বেসরকারি হাই-টেক পার্ক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এবং ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের মধ্যে এ বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সভাকক্ষে উক্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) জনাব হোসনে আরা বেগম এনডিসি এবং ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মঞ্জুরুল আলম।

 

মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে সারাদেশে এক লক্ষ বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক, রাজশাহী’ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। ১৪ আগস্ট, ২০২০খ্রি. সকালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। রাজশাহী জেলা প্রশাসক জনাব আব্দুল জলিল-এর সভাপতিত্বে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র জনাব এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান (লিটন)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সাংসদ জনাব আয়েন উদ্দিন, মহিলা আসন-৩৭ এর সাংসদ আদিবা আনজুম মিতা এবং রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব ডাবলু সরকার। ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক, রাজশাহী’ প্রকল্পের পরিচালক (উপসচিব) জনাব এ. কে. এ. এম ফজলুল হক এসময় উপস্থিত ছিলেন।

 

বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটিতে তিনশো মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে ওরিক্স বায়ো-টেক লিমিটেড।কর্মসংস্থান হবে দুই হাজার মানুষের। কালিয়াকৈরে ‘বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি’-তে বায়োটেকনোলজি নিয়ে কাজ করবে ওরিক্স বায়ো-টেক লিমিটেড। এলক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটিকে ব্লক-  ২৫ একর জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি-তে তারা ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে বলে জানা গিয়েছে। ১১ আগস্ট২০২০ মঙ্গলবারআগারগাঁও  আইসিটি টাওয়ারের অডিটোরিয়ামে -লক্ষ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। জ্বালানি  খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জনাব নসরুল হামিদ এমপি উক্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনঅনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জনাব জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি।

 

 

 

 

বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি, কালিয়াকৈর-এ উচ্চ প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করবে কোয়ার্টজ ম্যানুফেকচ্যারিং লিমিটেড। আজ (05 ডিসেম্বর, ২০১৯) বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এর সভাকক্ষে এলক্ষ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। আইসিটি বিভাগের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ চুক্তির আওতায় বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটির পাঁচ নম্বর ব্লকে ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান সামিট টেকনোপলিশ লিমিটেড কর্তৃক নির্মিত ফ্যাক্টরি ভবনের দ্বিতীয় তলায় কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি। বাংলাদেশ-তাইওয়ান যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত কোয়ার্টজ ম্যানুফেকচ্যারিং লিমিটেড মূলত 3S গ্রুপ অব কোম্পানিজ এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি তে কোয়ার্টজ ম্যানুফেকচ্যারিং লিমিটেড আইপি ফোন, বায়োমেট্রিক ডিভাইস, সিকুরিটি সিস্টেম হার্ডওয়্যার, সোলার প্যানেল এবং আইপি পিবিএক্স এর এসেম্বলিং ও মেনুফেকচারিং শিল্প স্থাপন করবে। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে সরকারী ও বেসরকারী বিভিন্ন সংস্থার সাথে সিকিউরিটি সিস্টেম সার্ভিলেন্স ও নেটওয়ার্কিং নিয়ে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রাথমিকভাবে ৫মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে যা পরবর্তী সময়ে ১২ মিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে এবং প্রথম পর্যায়ে ৩০০ জনের কর্মসংস্থান হবে বলে সামিট টেকনোপলিশ লিমিটেড সূত্রে জানানো হয়েছে। বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি -তে উৎপাদিত পণ্য প্রাথমিকভাবে ভারত, শ্রীলংকা, ভুটান, নেপাল ও মালদ্বিপে রপ্তানী করা হবে এবং পরবর্তীতে আমেরিকা ও আফ্রিকা মহাদেশে রপ্তানী করার লক্ষ্য নিয়ে তারা কাজ করবে বলে জানিয়েছেন কোয়ার্টজ ম্যানুফেকচ্যারিং লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব জাহেদ আযম। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেন, , আমাদেরকে এখন শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে মেধানির্ভর অর্থনীতির দিকে মনোনিবেশ করতে হবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ধাক্কা সামলাতে হলে আমাদেরকে এখনই উচ্চতর প্রযুক্তির দিকে নজর দিতে হবে। বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি -তে এখন বিনিয়োগের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। আমরা যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে এবং মাননীয় আইসিটি উপদেষ্টা জনাব সজীব ওয়াজেদ জয় এর নির্দেশনায় কাজ করে যেতে পারি তাহলে 2041 সালের মধ্যেই বিশ্বের রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব জনাব এন এম জিয়াউল আলম বলেন, বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এর ফ্লাগশিপ প্রজেক্ট। সরকার আইসিটি খাত থেকে যে বিপুল আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে তা পুরণে এই পার্ক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) জনাব হোসনে আরা বেগম এনডিসি  সভাপতির বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটিতে ইতোমধ্যে প্রায় ৮২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাবনা পাওয়া গিয়েছে যার মাধ্যমে প্রায় ৩৮ হাজার জনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আমরা আশাবাদী। আমরা বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৪টি প্রনোদনা সুবিধা দিচ্ছি। এছাড়া বিনিয়োগকারীদের সেবা সহজীকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ অন লাইন ভিত্তিক ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করা হয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষর অনু্ষ্ঠানে আইসিটি বিভাগ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, সামিট টেকনোপলিশ লি. ও কোয়ার্টজ ম্যানুফেকচ্যারিং লি. এর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 
 

 

গত ১৪/১১/২০১৯ তারিখ (বৃহস্পতিবার) বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি, কালিয়াকৈর-এ সোনার বাংলা ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত Grand Inauguration of SBF Research & Development Center অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) জনাব হোসনে আরা বেগম এনডিসি মহোদয় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সোনার বাংলা ফাউন্ডেশন এর বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে দুটি ভিন্ন প্রেজেন্টেশন দেওয়া হয়। ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) মহোদয় সোনার বাংলা ফাউন্ডেশন এর কার্যক্রমের ভুয়সী প্রসংশা করেন, এবং তাদের পাশে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ সবসময় থাকবে মর্মে আস্বাস প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানের আগে তিনি সোনার বাংলা ফাউন্ডেশনের সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

 

 

আইসিটি খাতের সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ পাওয়া তিনটি আন্তর্জাতিক সম্মাননা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করেছেন মাননীয় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নিয়মিত মন্ত্রিসভা বৈঠকের আগে ডব্লিউআইটিএসএ গ্লোবাল আইসিটি এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড , ডিসিডি এপিএসি অ্যাওয়ার্ড ও গোভইনসাইডার ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডগুলো গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন এবং উচ্চ প্রযুক্তি সম্পন্ন হাই-টেক পার্কের অবকাঠামো নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষকে ডব্লিউআইটিএসএ গ্লোবাল আইসিটি অক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০১৯ দেয়া হয়। চলতি বছরের ১০ অক্টোবর আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভানে তথ্যপ্রযুক্তির অলিম্পিক খ্যাত ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অব ইনফরমেশন টেকনোলজির (ডব্লিউসিআিইটি) ২১তম আয়োজনে এই পুরস্কার গ্রহন করেন মাননীয় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি এবং বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম এনডিসি।

আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভান-এর কারেন ডেমিরচান কমপ্লেক্সে তথ্যপ্রযুক্তির অলিম্পিক খ্যাত ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অব ইনফরমেশন টেকনোলজি’র (ডব্লিউসিআিইটি) ২১তম আয়োজনের অ্যাওয়ার্ড নাইটে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ অর্জন করলো উইটসা (WITSA) গ্লোবাল আইসিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০১৯। সম্মেলনে পাঁচটি বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে গৌরবজ্জ্বল সম্মাননা চেয়ারম্যান অ্যাওয়ার্ডস পেয়েছে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ।

ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অন ইনফরমেশন টেকনোলজির চেয়ারম্যান ইভোন চু এর হাত থেকে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম এনডিসি এবং পরিচালক ড. খন্দকার আজিজুল ইসলাম। বিসিএস সভাপতি মো. শাহিদ-উল-মুনীর উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

   

 

   
   

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে যশোরের ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে হয়ে গেল ‘তথ্যপ্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন বিষয়ে ভারত-বাংলাদেশ সহযোগিতা ও সম্ভাবনা’’ শীর্ষক কর্মশালা। মূলত সফটওয়্যার পার্কে বিনিয়োগকারী আইটি/আইটিইএস কোম্পানিসমূহের উৎপাদিত উদ্ভাবনী সেবাসমূহ ব্র্যান্ডিং এবং এক্ষেত্রে ভারত-বাংলাদেশ সহযোগিতার ক্ষেত্রসমূহ চিহ্নিত করার লক্ষ্য নিয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের অডিটরিয়ামে ২৮ আগস্ট, ২০১৯ তারিখে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) জনাব হোসনে আরা বেগম এনডিসি। এরপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কর্মশালার প্রধান আলোচক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি। প্রতিমন্ত্রী মহোদয় বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অসামান্য অবদান কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস পেয়েছে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ করে আইসিটি সেক্টরে ভারতের বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারতের প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশও অনেক সমৃদ্ধ হতে পারে। বর্তমানে দেশের ১২টি জেলায় হাই-টেক পার্ক স্থাপন প্রকল্পে ভারত সরকার অর্থায়ন করছে। অদূর ভবিষ্যতে ভারত বাংলাদেশে তাদের সহযোগিতার ক্ষেত্র আরো প্রসারিত করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহন করেন মান্যবর ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রীমতি রীভা গাঙ্গুলী দাস; যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মো. আনোয়ার হোসেন পিএইচডি এবং ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর রিসোর্স পারসন সৌম্য বসু। শ্রীমতি রীভা গাঙ্গুলী দাস তার বক্তব্যে সফটওয়্যার শিল্পে বাংলাদেশের দ্রুত অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং এ শিল্পে বাংলাদেশ-ভারত আগামীতে যৌথভাবে কাজ করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্যানেল আলোচনার পর ‘সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে বিনিয়োগ, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক আলোচনা ও প্রশ্ন-উত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর ‘বাংলাদেশে স্টার্ট-আপ কালচার’: সমস্যা, সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালির তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মিজ টিনা জাবিন। তিনি নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরীর জন্য স্টার্টআপদের মেন্টরিং ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ফান্ড পেতে করনীয় সম্পর্কে আলোকপাত করেন। যশোর জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ শফিউল আরিফ এর সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনায় অংশগ্রহন করেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) জনাব হোসনে আরা বেগম এনডিসি । তিনি আইটি/হাই-টেক শিল্পের বিকাশে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন। এ শিল্পের সাথে জড়িত কোম্পানি এবং উদ্যোক্তাদেরকে প্রদত্ত প্রণোদনা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরেন।

কর্মশালা শেষ পর্যায়ে মাল্টি টেন্যান্ট বিল্ডিং (এমটিবি)-এর নিচ তলায় আইটি কোম্পানিসমূহের উদ্ভাবনী সেবাসমূহের প্রদর্শনী ও স্থানীয় স্টেকহোল্ডারদের সাথে বিজনেস টু বিজনেস সভা অনুষ্ঠিত হয়।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আইসিটি শিল্পের সুষম বিকাশ ও উন্নয়ন সাধন করার উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিলো। এই পার্কে আধুনিক সকল সুযোগ-সুবিধাসহ ১৫ তলা মাল্টি-টেন্যান্ট বিল্ডিং; আন্তর্জাতিক থ্রি-স্টার মানের আবাসন ও জিমনেসিয়ামের সুবিধাসহ ১২ তলা ডরমিটরি বিল্ডিং; একটি ক্যান্টিন ও এ্যাম্ফিথিয়েটার; ৩৩ কেভিএ পাওয়ার সাব-স্টেশন; ফাইবার অপটিক ইন্টারনেট লাইন এবং অন্যান্য ইউটিলিটি সার্ভিস দেওয়া হচ্ছে। গত ১০ ডিসেম্বর, ২০১৭ তারিখ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের উদ্বোধন করেন।

 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর আগারগাঁও-এ আইসিটি বিভাগের পক্ষে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। আইসিটি বিভাগের সচিব জনাব এন এম জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ হবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি বিভাগের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি। ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ খ্রি: এ বঙ্গবন্ধুর সাথে শহীদ কর্ণেল জামিল এর কন্যা বেগম আফরোজা জামিল কঙ্কা আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জনাব এ. কে. এম. রহমতুল্লাহ, এমপি এবং সাবেক সচিব ও বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের কিউরেটর জনাব নজরুল ইসলাম খান আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসিবে উপস্থিত ছিলেন।

 

   
   

জনাব ফয়েজ আহম্মদ, সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি’ গতকাল (০৩.০৮.২০১৯) পরিদর্শন করেন। এ সময় BPATC এর রেক্টর জনাব মো. রকিব হোসেন এনডিসি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবগণসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) জনাব হোসনে আরা বেগম এনডিসি অতিথিদের ‘বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি’ ঘুরে দেখান এবং বিভিন্ন কাজের অগ্রগতি বর্ণনা করেন। এসময় বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এর পরিচালকগণ, বিভিন্ন প্রকল্পের পরিচালকসহ কর্মকর্তা-কর্মচারিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

   
বাংলাদেশের ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় একসাথে কাজ করতে চায় জাপান। আজ সকালে আইসিটি টাওয়ারে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) জনাব হোসনে আরা বেগম এনডিসি এর সাথে জাপানের একটি প্রতিনিধি দল প্রাথমিকভাবে মতবিনিময় করেন।

MITSUI KINZOKU RECYCLE Com. Ltd এর ম্যানেজার জনাব মাশাহিরো ফুরুসাতো (Mr. Masahiro Furusato) এবং Nakatsuji Ltd এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার জনাব কাজুহিসা শিবুয়া (Mr. Kazuhisa Shibuya) এই আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। তারা বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং রিসাইক্লিং এর উপর কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। 

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আতিকুল ইসলামসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন। 
 

অদ্য ৩০/০৩/২০১৯ খ্রি. তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় জনাব মোস্তফা জব্বার বাংলাদেশ  হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন "বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক, রাজশাহী" প্রকল্পের কার্যসাইট পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে প্রকল্পের চলমান কার্যক্রমের খোঁজ-খবর নেন এবং কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এসময় তিনি প্রকল্পের কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীগণকে প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।  

 

২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আয়োজিত সভায় উপস্থিত সুধিবৃন্দ ৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আয়োজিত সভায়আইসিটি বিভাগের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আয়োজিত সভায় আইসিটি বিভাগের সচিব জনাব এন এম জিয়াউল আলম সভাপতিত্ব করেন ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আয়োজিত সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মু্ক্তিযোদ্ধা লে. কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির
২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার 
২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আয়োজিত সভায় স্বাগত বক্তব্য দিচ্ছেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) জনাব হোসনে আরা বেগম এনডিসি ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আয়োজিত সভায় উপস্থিত দর্শকবৃন্দ
 
২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আয়োজিত সভায় উপস্থিত দর্শকবৃন্দ  

 

 

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) জনাব হোসনে আরা বেগম এনডিসি ২২ মার্চ, ২০১৯ তারিখে কালিয়াকৈর ‘বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি’ এর সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।এসময় ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহদয় ‘বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি’-তে কর্মরত Vibrant Software Limited এর একটি ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন এবং মোনাজাতে অংশগ্রহন করেন।বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও Vibrant Software Limited এর কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

 

   
আইসিটি ডিভিশনের সচিব জনাব এন এম জিয়াউল আলম ২৩ মার্চ, ২০১৯ তারিখে যশোরে ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনলজি পার্ক’ এর সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা এসময় সচিব মহোদয়কে প্রকল্পের বিভিন্ন কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন।

 

 
বাংলাদেশ হাই টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও যুক্তরাষ্ট্রর ফাউন্ডার স্পেস এর মধ্যে এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রানসিসকোতে স্বাক্ষরিত এই সমঝোতার আওতায় বাংলাদেশের স্টার্ট-আপদের সার্বিক সহযোগিতা দেবে প্রতিষ্ঠানটি।

ফাউন্ডার স্পেস বিশ্বব্যাপী স্টার্ট-আপদের মেন্টরিং করে। এছাড়া তারা তাদেরকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ফান্ড পেতেও সাহায্য করে। প্রতিষ্ঠানটি অনলাইনে কিংবা ফিজিক্যালি এসব সাহায্য করে থাকে। বাংলাদেশের স্টার্ট-আপদের সাথে ফাউন্ডার স্পেস এর সুদূরপ্রসারী সম্পর্ক সৃষ্টি করা এই সমঝোতার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রি জনাব জুনাইদ আহমেদ পলক, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) জনাব হোসনে আরা বেগম এনডিসি, ফাউন্ডার স্পেস এর চেয়ারম্যান স্টিভ হফম্যান প্রমুখ।
দেশিয় উদ্যোক্তাদের সহায়তা দিতে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে আরেকটি মার্কিন প্রতিষ্ঠান।দেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের মেন্টরিংসহ বিদেশী বিনিয়োগ পেতে সহায়তা করতে কাজ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্রের মার্কেট এক্সেস সেন্টার।শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকোতে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও মার্কেট এক্সেস সেন্টারের মধ্যে এ সম্পর্কিত একটি সমঝোতা স্বাক্ষর হয়েছে।মার্কেট এক্সেস সেন্টার বিশ্বব্যাপী স্টার্ট-আপদের মেন্টরিং করে। এ ছাড়া তারা স্টার্টআপগুলোকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ফান্ড বা তহবিল পেতেও সাহায্য করে। প্রতিষ্ঠানটি অনলাইনে কিংবা সরাসরি এসব সাহায্য করে থাকে।এর আগের দিন দেশটিতে একই ধরনের আরেকটি প্রতিষ্ঠান ফাউন্ডার স্পেসের সঙ্গে এমনই একটি চুক্তি করেছে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ।সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, স্টার্টআপ বাংলাদেশের উপদেষ্টা টিনা জাবিন, ফাউন্ডার স্পেসের চেয়ারম্যান স্টিভ হফম্যানসহ আরও অনেকেই।একই দিনে প্রতিমন্ত্রী ক্যালিফোর্নিয়াতে অবস্থিত গুগলের বাংলাদেশী কর্মী ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

 

 

   
   
   

গত ৫ই জানুয়ারী, ২০১৯ ইং সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার, নাটোর এর আওতায় স্টার্টআপদের অফিস পরিদর্শন ও স্টার্টআপদের সাথে মতবিনিময় করা হয়। এছাড়া শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার, প্রকল্পের আওতায় নাটোরে চলমান প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন, প্রশিক্ষণার্থীদের সাথে মতবিনিময় এবং তাদের মাঝে বই, কলম, নোট বুক ও ব্যাগ বিতরণ করেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) জনাব হোসনে আরা বেগম এনডিসি

এসময় উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ শাহরিয়াজ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক (রাজশাহী) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক জনাব এ.কে.এ.এম.ফজলুল হক, এডিসি জনাব ডঃ রাজ্জাকুল ইসলাম, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব জাহিদুল ইসলাম ও এনডিসি জনাব অনিন্দ্য কুমার, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী জনাব এস. এম. আল-মামুন সহ অন্যান্য সরকারী কর্মকর্তাবৃন্দ

 

 

 

 

 

   
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশে অসামান্য অবদান, মানবসম্পদ উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্টকরণসহ আইসিটির সামগ্রিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রাখায় বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ-কে সম্মাননা তুলে দেন মাননীয় অর্থমন্ত্রী জনাব আবুল মাল আব্দুল মুহিত এমপি। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পক্ষে সম্মাননা গ্রহন করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) জনাব হোসনে আরা বেগম এনডিসি।

 

 

 

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব মো. আবদুল হামিদ

গত ০৩ অক্টোবর, ২০১৮ তারিখ নেত্রকোণায় নির্মিতব্য

‘শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার’ -

এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

 

 

 

 

     ''Russia-Bangladesh IT Summit-2018"

 

 

 

শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক, যশোর এ- পিএমসি নিয়োগঃ

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক যশোরে বাস্তবায়িত শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের পিএমসি. (প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি) হিসেবে Techcity Bangladesh Ltd. কে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সভাকক্ষে এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির আওতায় আগামী ১৫ বছর শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ ও মেইন্টেন্যান্সের কাজ করবে Techcity Bangladesh Ltd। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম এনডিসি এবং Techcity Bangladesh Ltd. এর পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির এমডি ওয়াহিদ শরিফ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

 

 

 

 

 

 

   
   
  Rajshahi IT Incubator Centre Building View

 

 

 

 

 

 

 

Inauguration ceremony of IT Incubator.​  
   

 

 

   
Awarness & Training Programe for the contractors on Environmental Management

 

 

 

   
   
   

 

 

   

 

 

 

 
   

 

   
   

 

 


Share with :

Facebook Facebook